Tuesday, December 20, 2016

স্ত্রীকে দেখাতে চাই

রাতে গাড়ি চালিয়ে ফিরছিলেন এক ভদ্রলোক। গাড়ি জ্যামে আটকে গেলে এক ভিক্ষুক এসে হাত পাতল।
: দয়া করে কিছু দিন স্যার!
: তুমি মদ খাও?
: না স্যার।
: তুমি ধূমপান কর?
: না।
: জুয়া খেল?
: না।
: তুমি শিগগির আমার গাড়িতে উঠ।
: যা দেবার এখানেই দিন, স্যার।
: না, তোমাকে বাড়ি নিয়ে আমার স্ত্রীকে দেখাতে চাই যে, মদ, জুয়া, ধূমপান এ সবের সাথে না থাকলে মানুষের জীবনের কি ভয়াবহ অবস্থা হয়!

তোমার জীবনের শেষ ইচ্ছা কি

বিচারক ও আসামি :
বিচারকঃ ফাসির রায় কার্যকর করার আগে তোমার জীবনের শেষ ইচ্ছা কি
আসামীঃ ছোট একটা আবদার স্যার..........
.....' You Tube এ Upload করা সব Video গুলো একবার করে দেখা'।

তুমি RFLবদনা

মেয়ে:-তুমি একটা বদ ।
ছেলে:-তুমি কি ভালো ?
মেয়ে:-হ্যাঁ, আমি ভালো ।
ছেলে:-তার মানে তুমি বদ না?
মেয়ে:-হ্যাঁ, আমি বদ না ।
ছেলে:-RFL বদনা ?
মেয়ে:-না, মানে আমি বদ না ।
ছেলে:- সেটাই তো বললাম তুমি RFLবদনা।

গাছের লগে লটকাইয়া শুকাইতে দিছিলাম

পাগলাগারদের ডাক্তার এক পাগলের কাছে গিয়ে বলল - আপনার জন্য একটা সুসংবাদ আর একটা দুঃসংবাদ আছে। কোনটা আগে শুনতে চান?
পাগল ফিচ করে হেসে - সুসংবাদটাই আগে বলেন।
ডাক্তার - সুসংবাদটা হলো, আপনি আজ যে দুঃসাহসিক কাজ করেছেন, হাসপাতালের পুকুরে ডুবন্ত আরেক পাগলকে যেভাবে ঝাপিয়ে পড়ে উদ্ধার করেছেন, তাতে আমরা নিশ্চিত আপনি আর পাগল নন। আপনি সুস্থ হয়ে গেছেন। এবার আপনি নিশ্চিন্তে বাড়ি যেতে পাড়েন।
পাগল - আর দুঃসংবাদটা কি?
ডাক্তার - দুঃসংবাদটা হচ্ছে, আপনি যে পাগলকে পানি থেকে উদ্ধার করেছিলেন, সে পরবর্তিতে আত্মহত্যা করেছে পুকুরের পাশের আমগাছের সাথে গলায় দড়ি দিয়ে।
পাগল আবারো ফিচ করে হেসে - আরে না! ও তো নিজে গলায় দড়ি দেয় নাই। পুকুর থিকা উঠানোর পর দেখলাম ব্যাটা ভিজা পুরা চুপচুপা হইয়া রইছে, তাই আমিই ওরে আম গাছের লগে লটকাইয়া শুকাইতে দিছিলাম

তাবিজের ফল

এক মহিলা আসল এক কবিরাজের কাছে ---
মহিলা : আমার স্বামী প্রতিরাতে আমাকে এসে মারধোর করে।এখন আমি কী করব?
কবিরাজ : এই নে তাবিজ। এটা ৫ দিন তোর দাতে লাগিয়ে রাখবি। [৫ দিন পর]
মহিলা : কবিরাজ বাবা,তাবিজ টায় এতই ফয়দা হল যে আমার স্বামী আমাকে ৫ দিন মোটেও মারে নি।
কবিরাজ : এটা তাবিজের ফল না,এটা তোর মুখ বন্ধ রাখার ফল!

ছোট স্কুলে জাপান

একবার বল্টুর স্কুলের শিক্ষক বললেন বল্টু জা
.. .....পান নিয়ে আয়।
বল্টুঃ সার আপনি পাগল হলেন নাকি ?
শিক্ষকঃ হারামজাদা আমি পাগল হতে
যাবো কেন !
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
বল্টুঃ সার তাহলে আপনি যে বললেন জাপান
নিয়ে আসতে আমি এত ছোট স্কুলে জাপান
আনবো কিভাবে

Monday, December 19, 2016

JSC পরীক্ষার হলে যখন বল্টু

JSC পরীক্ষার হলে
নতুন এক
কমবয়সী শিক্ষক খুব কড়া গার্ড
দিচ্ছেন।
পুরো হল জুড়ে হাঁটাহাটি করছেন,
যেন
ছাত্রছাত্রীরা দেখাদেখি করতে না
পারে।
সুপার ব্রিলিয়ান্ট ছাত্র বল্টুর
এতে খুবই
সমস্যা হচ্ছিল। কি করা যায়, কি করা
যায়,
ভাবতে ভাবতে তারমাথায় দারুণ একটা
আইডিয়া এল। . . . . সে একটা কাগজে
কি
যেন লিখে স্যারকে দিল এবং স্যার
সেটা পড়ে সোজা গিয়ে বসে পড়ল। . .
. .
তো, কি লেখা ছিল সেই কাগজে
জানেন ??? . . . . . . . . . . . লেখা ছিল
.
.
.
.
লেখাছিল
.
.
,
"স্যার, আপনার প্যান্টের পেছন
দিকটা
ফাটা !!

কেউ বল্টুরে বিয়াদে

বল্টু : ডেডি আমি তো তোমাদের
একমাত্র সন্তান তাইনা।
বাবা : হ্যাঁ তোকেই তো কত কস্ট
করে পেলাম।
বল্টু : আচ্ছা ডেড্বি আমি ছেলে না
মেয়ে।
বাবা : কেন তুই ছেলে।
বল্টু: এইতো ফয়িন্নির ঘরে ফয়িন্নি
লাইনে আইছে আমি জদি মেয়ে
হতাম কত বছর আগে আমাকে বিয়ে
দিতে।
বাবা : কেন ৫/৬ বছর আগে।
বল্টু : মাইয়ারে কত টাকা খরচ করে
বিয়ে দিতে।
বাবা : কম হলেও দশ লাখ লাগতো।
বল্টু : আমার দশ লাখ লাগবে না আট
লাখ তুমি দাও, আর দশ লাখ মেয়ের
বাবার থেকে নিয়ে আমাকে
বিয়ে করাও।

বউ টা কা র

***মজার জোকস***
পাশাপাশি দুই বিল্ডিং এর দুই
বন্ধু বল্টু এবং পল্টু-------
পল্টুঃ ভাই অাপনার জন্মদিন
কবে?
বল্টুঃ কেন ভাই, জন্ম দিন
জেনে কি করবেন?
পল্টুঃ না মানে, অাপনাকে একটা
পর্দা gift করতাম অার কি।
কারন
জানালা দিয়ে প্রতিদিন অাপনাদের
রোমান্স দেখে দেখে bore
হয়ে গেছি।
বল্টুঃ অাপনার জন্ম
দিন কবে?
পল্টুঃ অাগামী সপ্তাহে। কেন?
বল্টুঃ
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
অাপনাকে একটা দূরবিন gift করব যাতে
অাপনি দেখতে পারেন
যে বউ টা কা র....@@@

বল্টু যখন ভিক্ষুক

বল্টু অন্ধ সেজে ভিক্ষা করার ব্যবসা
শুরু করছে। . . .
.
.
.
তো একদিন ভিক্ষা করার
সময় এলাকার চেয়ারম্যান আবুল
মিয়া এসে তাকে জিজ্ঞাসা
করল... . . .
.
.
.
আবুলঃ ওই শালা, তুই
যে অন্ধ এর প্রমাণ কি??? . . . .
বল্টুঃ ওই যে দূরে একটি কালো
কুত্তা বসে আছে।
দেখতে পাচ্ছেন??? . . . .
আবুলঃ হুম, দেখতে পাচ্ছি।। . . .
বল্টুঃ কিন্তু, . .
আমি দেখতে পাচ্ছি না!!!
আবুল মিয়া পুরাই বেহুশ

Saturday, December 17, 2016

আমার মাথাটা একটু শেভ করে দিন

বল্টু : এখানে চুল
কাটাতে কত
টাকা লাগে ?
..
..
নাপিত: ৪০ টাকা।
..
..
বল্টু : আর শেভ
করতে ?
..
..
নাপিত: ২০
টাকা।
....
..
..
..
.. ..
..
....
বল্টু : আমার
মাথাটা একটু শেভ
করে দিন

বল্টু তার বউকে নিয়ে কফিশপে গেছে...

বল্টু : কফিটা তাড়াতাড়ি শেষ করো,
ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে।
.
.
বউ : হোক, সমস্যা কী ?
.
.
বল্টু : আরে বোকা,
.
মূল্যতালিকা দেখ।
.
.
.
.
.
.
.
.
হট কফি ২০ টাকা,
কোল্ড কফি ৫০ টাকা।
.
.
ঠান্ডা হয়ে গেলেই অযথা
৩০ টাকা বেশি দিতে হবে।

অস্থির জোকস না পড়লে মিস করবেন

স্ত্রী : কী করছ ?
.
বল্টু : মাছি মারছি।
.
স্ত্রী : কটি মারলে ?
.
বল্টু : পাঁচটি। তিনটি
পুরুষ মাছি
আর দুটি মেয়ে মাছি।
.
,
স্ত্রী : কী করে বুঝলে ?
,
.
বল্টু : তিনটি মাছি
বসে ছিল মদের
বোতলের ওপর।
আর দুটি
টেলিফোনের ওপর !

Tuesday, December 6, 2016

ম্যামI Love You……

গোপালঃ ম্যামI Love You……
ম্যাডামঃ কী!!!বেয়াদপ ছেলে......
গোপালঃ ইয়ে...... ম্যামI... LoveYou এরমানে কি??
ম্যাডামঃ ও আচ্ছা......তাই বলো......আমি তোমাকে ভালোবাসি।... ...
.
.
.
.
.
.
.
.
.
গোপালঃ ছি......ম্যামএটা কি বলেন!!!আমি আপনারসন্তানের মত!!

সানি লিওয়নের ক্যামেরাম্যান

বল্টু আর স্যার এর মধ্যে
কথোপকথনস্যার : আচ্ছা বল্টু একজন
ধৈর্যবান ব্যাক্তিরনাম বল তো
.
.
.
.
.
.
.
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,বল্টু:স্যার,,,,,,,,,,
,,,,,,,,,,সানি লিওয়নের ক্যামেরাম্যান,,
,,,,,,,স্যার বেহুঁশ

আমাকে জামাই বলবেন

এক দিন ক্লাশে স্যার নাম প্রেজেন্ট করছে ....... স্যার: 1 ছাত্র :উপস্তিত স্যার: ২ ছাত্র: yes sir স্যার: 3 আবার বলল 3 আবার বলল ৩ নিমায়ই আসেনি রে ছাত্র: কামরুল বলল স্যার রিয়াদ কে আপনি নিমায়ই বলেন কেন? স্যার: সে আমাকে প্রতিদিন নিম পাতা এনে দেয় তাই তাকে নিমাই বলি। ছাত্র: কামরুল বলল স্যার আপনাকে আমি প্রতিদিন জাম পাতা এনে দিব আমাকে জামাই বলবেন। ওরে কেউ ধইরা আনরে......

মৃত্যু শয্যায় কিপটা বল্টু.....

বল্টু : আমার স্ত্রী কই ???
..
স্ত্রী : ওগো আমি এই যে !!!!
..
বল্টু : আমার
ছেলেমেয়ে কই ????
..
ছেলেমেয়ে : বাবা
এইতো আমরা !!!!
..
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
বল্টু: তাহলে পাশের রুমে
ফ্যান চলে ক্যান !!!!

দুধ খেলে নাকি শক্তি বাড়ে

বল্টু: লোকে বলে দুধ
খেলে নাকি শক্তি বাড়ে !!
..
আবুল ::হ্যাঁ,
সত্যিই তো বাড়ে,
কোন
সন্দেহ আছে ??
..
বল্টু : ধুর ! পাঁচ গ্লাস
দুধ খেয়ে এই দেয়ালটা
আধাঘণ্টা ধইরা
ধাক্কাইলাম, এক
ইঞ্চিও
নড়ে নাই !
সব ভূয়া !
.
.
.
.
এখন পাঁচ গ্লাস মদ
খেয়ে আসলাম!
দেখি দেয়ালটা আমারে
দেইখা নিজেই কেমন
ভয়ে কাঁপতাছে…

স্ত্রী যখন সবচেয়ে বড় সমস্যা

স্ত্রী: আচ্ছা, তুমি সব
সময় অফিসে
যাওয়ার সময়
ব্যাগে করে আমার ছবি
নিয়ে যাও কেন ?
..
বল্টু : অফিসে যখন আমি
কোনো সমস্যায় পড়ি, তখন
তোমার ছবিটি বের করে
দেখলেই সব সমস্যার সমাধান
হয়ে যায়, বুঝলে ?
..
স্ত্রী: তাই নাকি! তাহলে দেখো,
তোমার জন্য আমি কতটা
সৌভাগ্যের!
..
বল্টু : হুম, আমার যখন সমস্যা
আসে, তখন তোমার ছবি বের
করে দেখি আর নিজেকে বলি,
তোমার চেয়ে তো বড় কোনো
সমস্যা পৃথিবীতে থাকতে পারে না।
আর সঙ্গে সঙ্গে ছোট সমস্যাগুলো
আর আমার কাছে
সমস্যা বলে মনে হয় না।

Monday, December 5, 2016

অন্যরকম বিজ্ঞানবাক্স, যেন এক ম্যাজিক শো!!!


লেলিনের স্বভাব হচ্ছে ইলেকট্রনিক্স পণ্য দেখলেই তার ওপর গবেষণা চালানো। বাবার ঘড়িটার ভেতর কী আছে? ভাইয়ার মোবাইলটা কীভাবে ভাইব্রেট করে? সেদিন আবার বাবার গুপ্তধনের বাক্সটা ঘেঁটেঘুঁটে প্রাচীন আমলের একটা ফাউন্টেন পেন পেয়ে গেলো। আজকাল তো আর এই কলমের ব্যবহারই নেই! দেখেই চোখ চকচক করে উঠলো তার। হাজারো জিনিসপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে কলম এবং কালির দোয়াত দিয়ে সারা মেঝে ভাসিয়ে একাকার করে ফেললো। পরে বাবা এসে তাকে দেখে খুব করে বকে দিলো। লেলিনের মন খারাপ হলো। সে তো আসলে দুষ্টুমী করতে চায় না। তার জানার আগ্রহটা একটু বেশি। এটা কি কোন অপরাধ? একটু চুপচাপ স্বভাবের বলে বাবা-মাকে কিছু গুছিয়ে বলতেও পারে না। তার জন্মদিনে কমিকস, খেলনার বদলে যদি একটা পেরিস্কোপ বানানোর ম্যানুয়াল দেয়া হতো, তাতেই সে বেশি খুশি হতো। মন খারাপ করে পরদিন সে কথা বললো তার একমাত্র বেস্ট ফ্রেন্ড ফরএভার তানিমের সাথে।  তানিম লেলিনের বেস্ট ফ্রেন্ড হলেও তাদের স্বভাব সম্পূর্ণ আলাদা। তানিমের মধ্যে বিজ্ঞান সম্পর্কে আগ্রহ, প্রশ্ন করার খেয়াল নেই। সে টিভিতে মিস্টার বিন দেখতেই বেশি ভালোবাসে। কিন্তু সেদিন তানিমের সাথে কথা বলতে গিয়ে লেলিন তো অবাক! অন্যান্য দিন টিভিতে কী দেখলো তা নিয়েই সে মেতে থাকতো। কিন্তু আজ! ইলেকট্রিকাল সার্কিটের কানেকশন নিয়ে কথা বলছে!
তানিম- বুঝলি লেলিন, ইলেকট্রনিক্সের ভেতর যে এত মজা তা আগে বুঝি নাই। কালকে শিখলাম সিরিজ আর প্যারালাল সার্কিট কীভাবে বানায়। শিখলাম  ম্যাজিক মোটর বানানো। এগুলো যে এত মজার আগে বলিস নাই কেন?
লেলিন- বলি নাই মানে! কতবার বললাম, তুই’ই তো পাত্তা দিতি না। এখন বুঝেছিস তো এগুলো কত ইন্টারেস্টিং?
তানিম- হ্যাঁ! বিজ্ঞানবাক্স না থাকলে জানতামই না এসব!
লেলিন- বিজ্ঞানবাক্স! সেটা আবার কী রে?
তানিম- খুব মজার একটা বাক্স। আমার মামা আমাকে গিফট করেছে। এর ভেতর অনেক গুলো ইনসট্রুমেন্ট আছে, যা দিয়ে দারুণ সব এক্সপেরিমেন্ট করা যায়। আমি তো প্রথমে ভেবেছিলাম এসব আমি পারবো না। কিন্তু এত সুন্দর করে ছবি, ভিডিও, আর বই দিয়ে সব বুঝিয়ে দিয়েছে যে এক্সপেরিমেন্ট গুলো না করা পর্যন্ত শান্তি নেই! সবগুলো এখনও করতে পারি নি। বাসায় ফেরার তর সইছে না!
বন্ধুর এই পরিবর্তন দেখে লেলিন খুব খুশি হলো। সাথে এও ভাবলো যে এবার জন্মদিনে একটা বিজ্ঞানবাক্সবাগিয়ে নিতে হবে।

তিন মাস পর-

লেলিন আর তানিম মিলে একটা বিজ্ঞান ক্লাব খুলেছে। পাড়ার সবাই তাদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ! দুষ্টু –শান্ত, সব ছেলে-মেয়ে এখন বিজ্ঞান এক্সপেরিমেন্ট করে আর সবাইকে প্রশ্ন করে বেড়ায়। এটা কীভাবে হলো, ওটা কেন হলো না! মুরুব্বীরা তো অবাক! এ কেমন ম্যাজিক! কীভাবে ছেলে-মেয়ে গুলো এমন বদলে গেলো! তাদেরকে জিজ্ঞেস করলে একটা জ্ঞানী জ্ঞানী ভাব নিয়ে গম্ভীর কণ্ঠে বলে, বিজ্ঞানবাক্স, করেছে এই ম্যাজিক শো!”
বড় ভালো লাগে এসব দেখতে। এই প্রশ্ন করতে শেখা ক্ষুদে বিজ্ঞানীরাই তো বদলে দেবে দেশকে, সৃষ্টি করবে নতুন ইতিহাস! সাধারণের ভিড়ে তৈরি হবে এক অন্যরকম মানুষ।

বিস্তারিত জানতে সরাসরি যোগাযোগ- ০১৮৪৭ ১০৩ ১০২
অনলাইনে যোগাযোগ- http://www.facebook.com/OnnoRokomBigganBaksho

এই শীতে ঘর হিট তো আপনি ফিট

শীত জেঁকে বসতে খুব একটা দেরি নেই। হঠাৎ ঘনকুয়াশা আর হাড়কাঁপানো শীত যদি আপনার ঘরে হানা দেয় তখন আপনি কি করবেন? বাইরে বের হওয়ার সময় তো ঠিকই একগাদা গরম কাপুড় পরে বের হন। কিন্তু রাতের বেলা ঘরে ঘুমানোর সময় কি আর শীতের পোশাক পরে ঘুমানো সম্ভব? তাছাড়া সারা দিনের দৌড়াদৌড়ি আর ব্যাস্ততার পর রাতে একটু আরাম করে ঘুমাতে না পারলে শরীর ও মন দুটোয় বিগড়ে যায়। এছাড়াও শীতের সকালে ঘুম থেকে উঠে ঠান্ডা পানিতে গোসল করাটাও কষ্টকর। তাই শীত জেঁকে বসার আগেই পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে শোবার ঘরের জন্য ইলেক্ট্রনিক্স রুম হিটার এবং কুসুম কুসুম গরম পানিতে গোসলের জন্য ইলেকট্রিক বাথরুম শাওয়ার নিয়ে নিতে পারেন।
Download

বাচ্চাদের ঘর পরিপাটি রাখতে আজই কিনুন কিডস বাস্কেট



বাচ্চাদের ঘর কিভাবে সাজানো যায় তা নিয়ে চিন্তায় থাকেন সকল বাবা না। বাসা হোক বা ফ্ল্যাট, বাচ্চাদের জন্য চাই আলাদা একটা ঘর। যত্নে আর ভালবাসায় সাজানো। বাচ্চার ঘর বলে কথা, সেটা তো যেমন তেমন করে সাজানো যায় না। মনের মাধুরি থেকে যত্ন সহকারে সাজাতে হবে সেই ঘর। ঘরের রঙ থেকে শুরু করে নজর দিতে হবে পাপশ পর্যন্ত। প্রতিটা জিনিস হওয়া চাই বাচ্চার পছন্দ সই। আপনার বাচ্চার রুমে বড় একটি বাস্কেট রাখুন যাতে করে সে তার খেলনাগুলো সেখানে নিজেই গুছিয়ে রাখতে পারে। এতে করে তার খেলনা গুলো সবসময় গুছিয়ে রাখার ভালো একটি অভ্যাসও তৈরি হবে।
বাচ্চারা কাপড় ময়লা করে বেশি। তারা অনেক সময় এই ময়লা কাপড় গুলো গোছাতে জানেনা, কি করতে হবে বোঝেনা, তাই তার রুমে ময়লা কাপড় রাখার জন্য একটি ঝুড়ি রাখুন এবং শিখিয়ে দিন যে ময়লা কাপড় যেখানে সেখানে না রেখে যাতে এই ঝুড়িতে রাখে। ছেড়ে ফেলা জামা কাপড়, বিছানার চাদর, পিলো কাভার ওয়াস দেওয়ার আগে জমা করুন। ওয়াস করার পরও প্রথমে সব কাপড় জামা বাস্কেটেই রাখুন যাতে গুছিয়ে আলমারিতে তুলে রাখতে পারেন। লন্ড্রি বাস্কেটটা মেঝের উপর ফেলে না রেখে, খাটের তলায় ঠেলে দিন। ঘরের জায়গা বাঁচবে। বাথরুমেও রাখতে পারেন এই বাস্কেট।
-
-
-

কেন আজকের ডিল ?

ঢাকার বাইরের ক্রেতাদের কথা বিবেচনা করে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিল ডট কম দিচ্ছে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দেশের ৪৫ টি জেলায় পণ্য ডেলিভারী সুবিধা। এখন থেকে আপনার কাঙ্ক্ষিত পণ্যটি গ্রহণ করতে পারবেন আপনার নিকটস্থ এস,এ পরিবহনের শাখা অফিস থেকে। এস,এ পরিবহন শাখা অফিসে মূল্য পরিশোধ করে গ্রহণ করুন আপনার কাঙ্ক্ষিত পণ্য।

Download

আপনার রান্নার কষ্ট কমাবে, সময় বাচাবে যে কিচেন টুলসগুলি।


একটা সময় ছিল যখন রান্নাঘরের মতো রান্নার সরঞ্জামও ছিল বিশাল। রান্নাঘরে সারাদিনকার মত ঢুকে পরে এক একে করে সব জিনিস গুছিয়ে নিয়েই তবে রান্না l সেই দিন কি আর আছে, এখন তো কর্মব্যস্ত নারীরা রান্না ঘরে ঢুকে দম ফেলার সুযোগ পান না
সময়ের কালক্ষেপনে আগের দিনের হাঁড়িকুড়ি, বটি, কুড়ানি, পাটা দিয়ে এখনকার ফ্ল্যাটবাড়ির রান্নাঘর সামলানো সত্যিই কষ্টসাধ্য।
তাই স্মার্ট রাধুনিদের জন্য সবসময় খুঁজে নেয়া উচিত স্মার্ট সব কিচেন এপ্লাইয়েন্সেস তবে সেটা হতে হবে ব্যবহারের সুবিধাজনক, হালকা সবচেয়ে বড় দরকার নিজেই ঘষেমেজে পরিষ্কার করতে পারেন এমন সরঞ্জাম। তাই হা-হুতাশ করার আর প্রয়োজন নেই। নিজের চিন্তা কাজে লাগান। টুকটাক প্রয়োজনীয় কিচেন সামগ্রীসংগ্রহ করে নিজের মতো রান্নাঘর কাজের উপযোগী করে নিন। তাই দেখে নিই চলুন রান্নাঘরের জন্য কয়েকটি স্মার্ট টুলস ও সেগুলোর ব্যবহারের খুটিনাটি।